অনলাইনে আয়, ফ্রীলায়েন্সিং,ব্লগিং ফ্রী ইবুক ডাউনলোড,ফ্রী ওয়েব সাইট,ওয়ার্ডপ্রেস,জুমলা
ডাউনলোড করুন একটি পরিপূর্ণ ফ্রীলান্সার টিউটোরিয়াল ইবুক
আজ অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েব সাইট আর ব্লগে খুজতে খুজতে আরিফুল
ইসলাম শাওন ভাইয়ের একটি অসাধারন পরিপূর্ণ ফ্রীলান্সার গাইড পেলাম। এই বইটি থেকে
আমি নিজেও অনেক কিছু জেনেছি আর তাই আপনাদের জানানোর জন্য আজ এই বইটি সবার সাথে
শেয়ার করলাম। বইটি ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন। যারা নিজেকে একজন পেশাদার
ফ্রীলান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাদের জন্য এই বইটি অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে
আমি মনে করি। অনলাইনে কাজ করে যদি আপনি ভালোভাবে জীবন যাপন করতে চান তাহলে অবশ্যই
আপনাকে অনলাইনে অর্থ উপার্জন সম্পর্কিত অনেক বই পড়তে হবে। তাই বইটি ডাউনলোড করে
ভালোভাবে মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। পরবর্তীতে আমি আরও অনেক বই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন।
সামাজিক সাইটে পোষ্ট শেয়ার করে ভিজিটর বাড়ানোর সহজ পদ্ধুতি
![]() |
| https://earningcare.blogspot.com |
বর্তমানে
প্রায় সবারই ব্লগ অথবা ওয়েব সাইট আছে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হল শুধু ওয়েব সাইট অথবা
ব্লগ সাইট থাকলেই হবে না, আপনার সাইটের থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনার সাইটে ভিজিটর
ও থাকতে হবে। মনে রাখবেন ভিজিটর ছাড়া ব্লগ বা ওয়েব সাইট থেকে অর্থ উপার্জন সম্ভব
নয়। যদি আপনার সাইটে ভিজিটর না আসে তাহলে আমি বলবো আপনার কষ্ট করে ওয়েব সাইট বা ব্লগ
তৈরী করার থেকে না করাই ভালো। ভিজিটর কিন্তু যেমন তেমন ব্যাপার না যে চাইলাম আর
পেয়ে গেলাম। ভিজিটর বাড়ানোর জন্য আপনাকে কষ্ট করতে হবে এবং কিছু নিয়ম মেনে কাজ করতে
হবে। তাহলেই আপনি আপনার সাইটের জন্য প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাবেন। আজ আমি আপনাদের
সাথে আলোচনা করবো ভিজিটর বাড়ানোর কিছু সহজ এবং কাযর্কর নিময় নিয়ে। যে নিয়ম অনুযায়ী
কাজ করলে আপনি আপনার ব্লগে অনেক ভিজিটর আনতে পারবেন। তাহলে চলুন শুরু করি ।
বর্তমানে
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম গুলু হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এখন যার
ইন্টারনেট আছে, তারই সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোর সাথে যোগাযোগ আছে। বর্তমানে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর যার ইন্টারনেট আছে অথচ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম যেমনঃ ফেসবুক বা টুইটার এর সাথে যোগাযোগ নেই। আমরা আমাদের সাইটে ভিজিটর
বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের সাইটগুলোকে ব্যবহার করতে পারি। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে সোশালনেটওয়াকিং
সাইটের মাধ্যমে ভিজিটর বাড়াবো। এখন আমি আপনাকে বলছি আশা করি আপনি বুঝতে পারবেন।
একথাটি হয়তো সবারই জানা যে সারাবিশ্বের প্রায় আশি কোটিরও বেশী মানুষ ফেসবুক ব্যাবহার করে। আপনি আপনার সাইটে পোষ্ট করার পর সেই পোষ্টটি এবং তার লিংক তার লিংক ফেসবুকে শেয়ার করুন এবং বন্ধু-বান্ধব সবাইকে বলুন সেই আপনার দেওয়া লিংকটি শেয়ার করতে। যখন ফেসবুকে আপনার দেওয়া পোষ্টটি পরে মানুষ আপনার লেখার প্রতি আকৃষ্ট হবে তখন তারা ঐ পোষ্টের সাথে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনার সাইটে ভিজিট করবে আর এভাবেই আপনার সাইটের ভিজিটর বেড়ে যাবে।
তাছাড়া আপনি আপনার ব্লগে পোষ্ট করার পর সেই
পোস্টটি বিভিন্ন রকম সোশালনেটওয়াকিং সাইটগুলুতে শেয়ার করুন। যখন
আপনার শেয়ার করা পোস্টটি অন্য কেউ পড়বে তখন সে আপনার লেখার প্রতি আকৃষ্ট হলে ঐ
পোষ্টের সাথে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনার সাইটে ভিজিট করবে। আর এইভাবে আপনার
সাইটের ভিজিটর সংখ্যা বেড়ে যাবে।
ব্লগার ডট কমের ব্লগ থেকে আয় করুন
Blogger.com
Blogger.com এর ব্লগ এটি হচ্ছে একটি ফ্রী ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট। যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন। একজন মানুষ চাইলে একাধিক Blog create করতে পারেন। Online এ কাজ করার এবং কাজ পাওয়ার অনেক মাধ্যম আছে। তবে Blogging হচ্ছে একটি নির্ভরযোগ্য কাজ। যা করার জন্য আপনাকে অন্য কোন web site থেকে কাজ পেতে হবে না বা অন্য কারো কাজ করতে হবে না। এখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে আপনার মনের মতো কাজ করতে পারবেন। আপনার যখন খুশী যেমন খুশী আপনি তেমন কাজ করতে পারবেন। এখানে আপনাকে কারো কথা মতো কাজ করতে হবে না। এখানে আপনি পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন।
তবে আপনাকে কিছু দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার Blog গুলি মানুষের জন্য উপকারী হতে হবে এবং আপনাকে এমন কিছু জিনিস আপনার Blog এ উপস্থাপন করতে হবে যা দেখে visitor গন আপনার সাইটে বারবার ফিরে আসে।
মনে রাখবেন visitor ছাড়া একটা web site অথবা একটা Blog site এঁর কোন মূল্য নেই। তাই আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই আপনার সাইটের visitor বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আপনি যদি Blogging এর প্রতি আকৃষ্ট হন বা আপনাকে একজন সফল Blogger হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই Blogging সম্পর্কে জানতে হবে। এবং একটি Blog create করতে হবে। Blog create করার জন্য প্রথমে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই একটি Gmail Account খুলতে হবে। আপনার যদি আগের কোন Gmail Account থাকে তাহলে আপনি সেই Gmail Account দিয়েই Blog create করতে পারবেন। আর যদি আপনার কোন Gmail Account না থাকে তাহলে
অনলাইনে আয়ের সহজ দুটি মাধ্যম
আজ আমি অনলাইনে কাজ করে অর্থ উপার্জন করার দুইটি সহজ মাধ্যম নিয়ে
MinuteWorkers.com:অনেকটা Microworkers.com এর মতো।পেমেন্ট যে পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই,একেবারে নিশ্চিত।
আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। যেখানে কাজ করে আপনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিশ্চিন্তে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তো চলুন শুরু করিঃ-
Microworkers.com: অনলাইনে কাজ করে অর্থ উপার্জন করার জন্য এটি একটি সহজ মাধ্যম।এর মাধ্যমে যে আপনারা আয় করতে পারবেন এটা একদম নিশ্চিত।তবে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাদের কাজ করতে হবে।
Microworkers.com থেকে আপনি প্রতিদিন অনেক ছোট ছোট কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। Microworkers.com অনেক ছোট ছোট কাজ দেয়।যেমন:রিভিউ লেখা,সাইন আপ করা,ইউটিউব এ সাবক্রাইব করা,কমেন্ট করা,ব্লগ রোলে তাদের লিন্ক বসানো ইত্যাদি।আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৭ ঘণ্টা কাজ করুন। Microworkers.com সাধারণত রিভিউ লেখলেই বেশি টাকা দেয়।অনেক রিভিউ আছে যেটা লেখলে আপনারা পাবেন ২ ডলার বা আরো বেশি।সাইনাপ এ সাধারণত ০.১০ সেন্ট।প্রতিদিন ৬-৭ ঘণ্টা কাজ করুন।প্রথমে কাজ করতে আপনার একটু সমস্যা হতে পারে। কিন্তু তাই বলে থেমে থাকলে হবেনা, কয়েকদিন নিজে নিজে চেষ্টা করুন দেখবেন কাজ আপনার কাছে অনেক সহজ মনে হবে। কাজ করার প্রথম কয়েকদিন দেখবেন কোনো ব্যালেন্স নাই।কয়েকদিন চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে টাকা আয় হতে থাকবে। Microworkers.com (Paypal,Moneybookers,Alertpay) তে টাকা দিয়ে থাকে।সর্বনিম্ন ১০.০০ ডলার হলেই আপনি টাকা উঠাতে পারবেন।
MinuteWorkers.com:অনেকটা Microworkers.com এর মতো।পেমেন্ট যে পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই,একেবারে নিশ্চিত।
তাছারাও এখানে আছে কয়েন গেম যা খেলে আপনি ভাগ্যে ১০-১২ ডলার ও আয় করতে পারেন।আবার টাকা কমও করে ফেলতে পারেন।ঠিক নাই :-/ ।কয়েন গেম খেলতে হলে আপনার মিনিমাম বেলেন্স ০.০৫ থাকতে হবে। এরা ১০.০০ ডলার হলেই পে করে।তবে আপনি চাইলে আরলি পেমেন্ট চেতে পারেন।এতে ২.০০ ডলার হলেই পে-আউট করতে পারবেন তবে ১০% টাকা কম পাবেন।মনে রাখবেন এখানে আপনাকে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ টা কাজ করতে হবে।আপনি যদি মন দিয়ে ভালোভাবে কাজ করেন তাহলেই আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
ব্লগ শব্দের অর্থ কি
ব্লগ শব্দটি এসেছে ওয়েব লগ থেকে এর অর্থ হচ্ছে আলোচনা বা তথ্য সম্ব্রিদ্ধ সাইট। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির বিশ্বে তথ্যের চাহিদা খুব প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। বই বা পাঠাগারে শত শত বই ঘেটে প্রয়োজনীয় তথ্য খোজা খুবই সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর একটি ব্যাপার আর এই প্রয়োজনীয়তার ফলে অনলাইন ভিত্তিক ওয়েব লগ এর যাত্রা শুরু হয় যা পরবর্তীতে ব্লগ হিসেবে প্রচলিত হয়।
বর্তমান যুগে মানুষের তথ্য চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে ব্লগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে । প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ অনলাইনে ব্লগের কল্যানে তাদের চাহিদার উপর ভিত্তি করে তথ্য অনুসন্ধান করছেন। এবং অনেক মানুষ এই ব্লগের মাধ্যমে তাদের ব্যাবসার প্রসার করছেন। ফলে প্রতিদিন শত শত নতুন ব্লগের জন্ম হচ্ছে এবং অনলাইনে তৈরি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ নিবন্ধ ।
যারা ব্লগিং করেন তাদেরকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা বিভিন্ন বিষয়ে ব্লগ লিখে থাকেন যেখানে উক্ত বিষয়ের উপর ভিত্তিকরে বিভিন্ন আলোচনা, সমালোচনা, মন্তব্য ইত্যাদি যুক্ত হতে থাকে । ফলে ব্লগের মাধ্যমে আমরা সহজেই সমস্যাগুলোকে উপস্থাপন করতে পারি। ব্লগকে আমরা গণমাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারি।
ব্লগকে আমরা আমাদের “অনলাইন ডাইরি” ও বলতে পারি । অনলাইনে ব্লগ জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথে নতুন নতুন অসংখ্য বৈশিষ্ট যুক্ত হতে থাকে বর্তমানে ব্লগের পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ বিভিন্ন ব্লগকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান । কেউ কেউ ব্যাক্তিগত ভাবে ব্লগ পরিচালনা করছেন। কেউ আবার প্রফেশনালি ব্লগিং করছেন।
আমাজন ডট কমে ইবুক বিক্রি
অনেক মানুষ
বলে থাকেন আমাজনে বই বিক্রি করা একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং জটিল প্রক্রিয়া। কিন্তু
সত্যটি হচ্ছে এইযে, আমাজন তার গ্রাহক এবং প্রকাশকের কথা চিন্তা করে
এর মান ঠিক রাখার জন্য বদ্ধপরিকর ।
বর্তমানে
ইবুকের প্রচুর জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং আমাজন এর বইয়ের বাজার বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
তাই বৃহৎ এই বাজার থেকে স্থায়ী মুনাফা অর্জন করতে চাইলে আপনাকে বেশ কিছু প্রসেস
বা নিয়ম মেনে চলতে হবে।
আমাজনে বই
বিক্রয় করা একটি সহজ প্রক্রিয়া এবং এর জন্য আপনাকে কোন অর্থ খরচ করতে হবে না ।
প্রথমে আমাজন ডট কমে আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে একটি একাউন্ট খুলুন।
তারপর আপনি সহজেই আপনার বইকে আমাজনের বৈশিষ্ট্যযুক্ত ক্যাটালগে যুক্ত করতে পারবেন
। আমাজন আপনার বইকে তালিকাভুক্ত করার জন্য আপনার বইটি বিক্রয়ের উপরে কিছু কমিশন
কাটবে ।
আপনি যখন
আপনার বইটিকে আমাজনের আধুনিক অর্থাৎ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে টেক্সট ফরমেটে আপলোড
করবেন তখন ডিটিপি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বইটিকে আমাজনের কিন্ডল ফায়ারের উপযোগী
ফরমেটে রুপান্তর করবে ।
আমাজনে
কিভাবে আপনার ইবুক বিক্রয় করবেন তার নির্দেশাবলীঃ
তিনটি
পছন্দের ফরমেটে এইচটিএমএল, প্লেইন
টেক্সট বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ আপনার বইএর একটি কপি তৈরি করুন ।
* আমাজন এর ডিজিটাল
প্ল্যাটফর্মে লগ ইন করুন । আপনার যদি কোন আমাজন আইডি না থাকে তাহলে একটি একাউন্ট তৈরি
করুন, একাউন্ট তৈরি করতে এইখানে ক্লিক করুন ।
* “My
Shelf” বাটনে ক্লিক করুন এবং
নতুন বই যুক্ত করার জন্য “Add New
Item” বাটনে ক্লিক করুন।
* অতঃপর আপনার পণ্যের
বিবরণ লিখুন। শিরোনাম থেকে শুরু করে, সংক্ষিপ্ত সারাংশ বর্ণনা
(আর আর 4,000 অক্ষর) যুক্ত
করুন । একজন লেখকের ক্ষেত্রে লেখকের নাম লিখুন “সম্পাদনা” নামক বাটনে ক্লিক করুন।
* আপনার বইয়ের জন্য
আইএসবিএন নম্বর লিখুন যদিও এটি আবশ্যক নয় । কিন্তু এটি একটি ভালো পদ্ধতি আইএসবিএন
নম্বর এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত করার সুবিধা পাওয়া যায় ।
আপনি যদি
নিজে প্রকাশক হয়ে থাকেন তবে প্রকাশকের স্থানে আপনার নাম লিখুন এবং প্রকাশনার
তারিখ যুক্ত করুন ।
* কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য
জুড়ুন।
* আপনার বইএর কভার ছবি
আপলোড করুন । কভার ছবি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন পাঠক সর্বপ্রথম কভাবের ছবি বা লেখা
দেখে বই সম্পর্কে ধারনা লাভ করে।
* তারপর ব্রাউজ বাটনে
ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা ফাইলটি আপলোড করুন ।
* আপলোড সফলভাবে সম্পন্ন
হলে এটি পুনর্বিবেচনার জন্য অপেক্ষমান থাকবে । একজন প্রতিনিধি আপনার বইটি যাচাই
বাছাই করে প্রকাশনার অনুমতি প্রদান করবে ।
* সবশেষে, আপনার প্রস্তাবিত খুচরা
মূল্য উল্লেখ করুন, তারপর “সংরক্ষণ করুন” বাটনে ক্লিক করুন এবং তা
প্রকাশ করুন ।
এখন আপনার
বইটি সফলভাবে প্রকাশনার জন্য ২ থেকে ৩ দিন সময় লাগতে পারে । দেখুন আপনার বইটি আমাজন
এর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সফলভাবে প্রকাশিত হয়েছে ।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
১.কখনোই কপিরাইট বই অর্থাৎ অন্যের বই আপলোড করবেন না।
২.বইয়ের মান ঠিক
রাখার চেস্টা করুন ।
৩.সুন্দর প্রচ্ছদ তৈরিতে মনোযোগ দিন ।
৪.আন্তর্জাতিক চাহিদা এবং মানুষের কথা চিন্তা করে দাম ঠিক করুন
।
গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয়
.jpg)
অনলাইনে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হল গুগল এডসেন্স। এটি অনলাইনে আয়ের একটি সহজ এবং নির্ভরযোগ্য উপায়। গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করে গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। গুগল এডসেন্সের সমস্ত শর্তাদি পূরণ করলে আপনার এডসেন্স একাউন্টটি এক্টিভেট হবে। এরপর আপনাকে আপনার এডসেন্স একাউন্টে প্রবেশ করে গুগলের বিজ্ঞাপনের কোড সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ওই কোডগুলি আপনার ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইটে বসিয়ে দিতে হবে। তাহলেই গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে প্রদর্শিত হবে। মনে রাখবেন বিজ্ঞাপনগুলি অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইটের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে। এক্ষেত্রে গুগল ক্রলার আপনার ওয়েবসাইটের কীওয়ার্ডগুলি খুজে বের করে এবং সে অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গুগল এডসেন্সের নিয়মাবলী আপনাকে সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে। যেমন আপনি আপনার নিজের সাইটের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না, তাছাড়া নিজের বন্ধুবান্ধব বা পরিচিত কাউকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে বলবেন না। গুগল টার্মস কন্ডিশনের ব্যাপারে খুবই কঠোর। সুতরাং গুগল এডসেন্সের নিয়মকানুন সঠিকভাবে মেনে ব্লগিং করলে আপনি এখান থেকেও অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
এফিলিয়েট মার্কেটিং

অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার একটি কার্যকরী উপায় হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং। এফিলিয়েশন হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে আপনি বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানীর প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন হিসাবে আপনার সাইটে প্রদর্শন করেবেন। এবং ঐ কোম্পানীকে আপনি সেগুলি অনলাইনে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করে দিয়ে কমিশনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আপনি আপনার সাইটের রেফারেল লিঙ্ক থেকে যদি ঐ কোম্পানীর কোন প্রোডাক্ট বিক্রি হয় তাহলে ঐ কোম্পানী উক্ত বিক্রয়ের উপর আপনাকে কমিশন দিবে। তবে এফিলিয়েশন প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভালো একটি কোম্পানীর প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে হবে। কারণ যেকোন গ্রাহক প্রোডাক্ট কেনার সময় ভালো একটি নামী কোম্পানী থেকেই কিনতে চায় যারা গ্রাহকদের ভালো সার্ভিস প্রদান করে। তাছাড়া আপনাকে এমন একটি প্রোডাক্ট বাছাই করে নিতে হবে যেটি অনলাইনে বিক্রি হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে Amazon.com এবং Ebay.com এই দুইটি হচ্ছে বিখ্যাত অনলাইন মার্কেটিং কোম্পানী।
নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখে আয়
একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্য নিবন্ধ বা আর্টিকেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অনেক মানুষ আজ ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইটের জন্য আর্টিকেল বা নিবন্ধকে রাজা হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকে। নিবন্ধ বা আর্টিকেল শুধুমাত্র ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং এটি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন অর্থাৎ (এস.ই.ও) এর জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ।এক কথায় আমরা বলতে পারি নিবন্ধ বা আর্টিকেল ছাড়া একটি ব্লগ পুরোপুরি অসহায়।
একজন ব্লগারের কাজ শুধুমাত্র ব্লগ সাইট কিংবা ওয়েব সাইটের নিবন্ধ বা আর্টিকেল পাবলিশ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় ।একজন ভালো মানের ব্লগার হিসেবে আপনার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে আর না হলে সামাজিকভাবে তো বটেই এছারাও সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।তাই একজন ব্লগার হিসেবে আপনাকে সর্বদাই নিচে উল্লেখিত বিষয়ের উপর ভালো ধারনা থাকতে হবে ।
১.আর্টিকেল বা নিবন্ধ লিখার সময় প্রথমে আপনাকে পাঠকের চাহিদা বুঝতে হবে।তারপর আপনাকে খুজতে হবে আপনি যে বিষয়ের উপর আর্টিকেল বা নিবন্ধ লিখছেন সেই বিষয়টি আপনার ব্লগের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না । পাঠকের চাহিদার পাশাপাশি ব্লগের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ নিবন্ধ বা আর্টিকেল খুবই জরুরী অন্যথায় নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড থেকে সার্চ ভিজিটর পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে ।
২.আর্টিকেল বা নিবন্ধ লেখার সময় আপনি যেই বিষয়ের উপর নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখছেন সেই বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ। নিবন্ধ লেখার সময় অন্য কোন চিন্তা যদি মাথায় থাকে তাহলে তা আপনার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করবে ।এরকম সময় সাধারনত আপনার নিবন্ধের ভেতরে চিন্তার কোন ছাপ পড়াটাই স্বাভাবিক।তাই যখন আপনার ভাল লাগবে, যখন মুক্ত সময় পাবেন, যখন আপনার মানসিক অবস্থা ভাল থাকবে ঠিক তখন নিবন্ধ লিখুন।
৩.আর্টিকেল বা নিবন্ধের জন্য শিরোনাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আপনি সবসময় আকর্ষণীয় শিরোনামে আর্টিকেল বা নিবন্ধ প্রকাশের চেস্টা করুন।এতে করে আপনার পাঠক আপনার নিবন্ধের প্রতি আকৃষ্ট হবে ফলে আপনি নিয়মিত পাঠক পাবেন।
৪.ভুমিকাতে আপনার নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কিছু অংশ তুলে ধরুন, যাতে মুল নিবন্ধের কিছু মুল অংশ প্রকাশ করে ফলে অলস পাঠক দুই এক লাইন পড়েই হারিয়ে না যায়।চেস্টা করুন আকর্ষণীয় কিছু বিষয় এবং উপাদান রাখার।
৫.প্রতিটি আর্টিকেল বা নিবন্ধ কমপক্ষে তিনশো শব্দের লিখুন। আপনি চাইলে বেশিও লিখতে পারেন। তবে দেখবেন একই কথা জেনো বারবার না লিখেন।কেননা একই কথা বারবার পড়ার ফলে পাঠক বিরক্ত হতে পারে।নিবন্ধ বেশী বড় না লিখে মুল বিষয় এবং বিশ্লেষণ ছোট এবং সুন্দরভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।
৬.নিবন্ধের ভিতরের অংশে বা আপনার থিমের সাথে মানানসই জায়গায় একটি ছবি সংযুক্ত করার চেস্টা করুন । ছবিটি যেন অবশ্যই আপনার নিবন্ধের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
৭.লেখা শেষ হবার পরে আপনাকে নিবন্ধটির জন্য অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেসন অর্থাৎ (এস.ই.ও) সহায়ক কি-ওয়ার্ড লিখতে হবে।
৮.তারপর আপনাকে আপনার লেখা পুরো নিবন্ধটি একবার দেখতে হবে,অর্থাৎ আপনাকে আপনার লেখা পুরো নিবন্ধটি রিভিশন দিতে হবে।
মনে রাখবেন নিবন্ধ বা আর্টিকেল লেখা কোন কঠিন বিষয় নয়, আবার অনেক সহজও নয়। নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখার জন্য আপনার অবশ্যই অনেক ধৈর্যের প্রয়োজন। মনে রাখবেন অস্থির মানসিকতার ব্যাক্তিরা কখনোই ব্লগ ,নিবন্ধ বা আর্টিকেল লিখতে পারে না।তাই আপনার মাঝে যদি অস্থিরতা থাকে তাহলে তা আজ থেকেই দূর করার চেষ্টা করুন।
যে বিষয়ের উপর আপনার ভাল ধারনা বা জ্ঞান আছে সেই বিষয়ের উপরই নিবন্ধ লিখুন।
ফাইল আপলোড করে আয়
আজকের নিবন্ধে আমি আপনাদের বলবো কিভাবে অনলাইনে ফাইল আপলোড করে আয় করা যায়। আপনারা অনেকেই হয়তো দেখেছেন যে ইন্টারনেটে এমন অনেক ওয়েব সাইট আছে, যেই সাইট গুলু সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফাইল ডাউনলোড করার সুবিধা দিয়ে থাকে ,আপনি ইচ্ছা করলে তেমন সেই সব সাইটে আপনি নিজেও ফাইল আপলোড করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনার ফাইল গুলু যতো বেশী ডাউনলোড হবে আপনার আয়ও ততো বেশী বাড়তে থাকবে।
Ziddu.com হচ্ছে তেমনি একটি ফাইল শেয়ারিং সাইট। এই সাইটে আপনি আপনার পছন্দমতো একদম বিনামূল্যে আপনার যতো খুশী ততো ফাইল আপলোড করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আপনার আপলোডকৃত ফাইলগুলু যতো বেশী ডাউনলোড হবে আপনার আয় ও ততো বেশী বৃদ্ধি পেতে থাকবে। Ziddu.com থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাকে Ziddu.com এ একটি একাউন্ট খুলতে হবে। আপনি যদি এই সাইটে একাউন্ট খুলতে চান তাহলে এইখানে ক্লিক করুন। আপনি আপনার একাউন্ট খোলার পরে আপলোড বাটনে ক্লিক করে আপনার ইচ্ছে মতো যেকোন ফাইল আপলোড করুন আর আপলোড পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার পর আপনি আপনার আপলোডকৃত ফাইলের লিংকটি শেয়ার করুন।
আপনার আপলোডকৃত ফাইলটি যদি কেউ ডাউনলোড করে তাহলে আপনি ওদের টার্মস অনুযায়ী বেশ কিছু টাকা পাবেন। আর মাত্র ১০ ডলার হলেই আপনি সেই টাকা আপনি উত্তোলন করতে পারবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)

.png)
.jpg)






.jpg)


